ভুমিকাঃ
বেকারি খাদ্য বলতে আমরা সাধারণত পাউরুটির, কেক, বিস্কুট ইত্যাদিকে বুঝি।বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত যেসব খাদ্যদ্রব্য অত্যন্ত ব্যাপক ভাবে বাজারজাত করা হয়ে থাকে তার মধ্যে বেকারি খাদ্যদ্রব্য উল্লেখযোগ্য। সকালের নাস্তা ও অন্যান্য হালকা খাদ্যের ক্ষেত্রে বেকারি খাদ্যের ব্যবহার অনস্বীকার্য। প্রক্রিয়াজাতকরণ কৌশল সহজ ও নিরাপদ এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি তুলনামূলকভাবে সহজ ও ঝামেলা মুক্ত। বেকারি দ্রব্যের খাদ্যমান অনেক উন্নত বিধায় অতি সহজে দেশের সর্বত্র একটি বড় কাজ হিসেবে সাফল্যজনকভাবে ধরে রেখেছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেকারি শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বেকারি খাদ্য ও জনগণের স্বাস্থ্য গঠনে সহায়তা করে। সেই সাথে খাদ্য শিল্পের মধ্যে বেকারি শিল্প একটা বড় অংশ দখল করে আছে। এসকল বেকারি খাদ্য বিভিন্ন কোম্পানি ভিন্ন ভিন্ন ট্রেন নামে বাজারজাত করে থাকে। প্রক্রিয়াজাত কারীরা বিদেশ থেকে এখন অনেক আধুনিক পদ্ধতি নিয়ে এসেছে এবং ব্যবহার করছেন। মোড়কের গুণগতমান অনেক উন্নতি ঘটেছে। কাজেই আমাদের দেশে উৎপাদিত এসব বেকারি খাদ্যসামগ্রীর রপ্তানিযোগ্য পণ্যের রূপ নিয়েছ। এই সকল বেকারি খাদ্যদ্রব্যের এবং তাদের প্রস্তুত প্রণালী একটি মৌলিক ধারণা দেওয়ার জন্য সংক্ষেপে প্রস্তুতপ্রনালী আলোচনা করা হলো।
খামির এর উপর ভিত্তি করে বেকারি খাদ্যকে নিম্নোক্ত ভাগে ভাগ করা যায়-
১। ইস্ট ব্যবহৃত খামিরের বেকারি খাদ্য।
২। রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহৃত খামিরের বেকারি খাদ্য।
৩। বায়ু ব্যবহৃত খামিরের বেকারি খাদ্য।
৪। খামির ছাড়া বেকারি খাদ্য।