Food Ingredients

আল্লাহ তায়ালা একমাত্র রিযিক দাতা

আইসক্রিম

আইসক্রিম

আইসক্রিম সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং আকর্ষণীয়। এটি একটি হিমায়িত দুগ্ধজাত পণ্য। যদিও শুরুতে আইসক্রিম বাংলাদেশের শুধুমাত্র ধনী, অভিজাত সম্প্রদায়ের খাবার হিসেবে বিবেচিত হতো, কিন্তু আজ দুগ্ধ শিল্প ও দুগ্ধ কারখানার বিকাশের কারণে আইসক্রিম একটি জনপ্রিয় বিনোদনে পরিণত হয়েছে । যেহেতু বাংলাদেশের বেশিরভাগ বাড়িতে রেফ্রিজারেশন নেই, তাই শহরগুলিতে এখনও এটি প্রচলিত রয়েছে।

হিমায়িত খাবারের ব্যবহার শুরুর সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। প্রথম শতাব্দীতে রোমান সম্রাট নিরোর জন্য তুষার থেকে আইসক্রিম জাতীয় পণ্য প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং মার্কো পোলো শতাব্দীতে সুদূর পূর্ব সংযোগে মধু এবং ফলের রস খাওয়া হত। ভ্রমণের পর প্রযোদশ তার সাথে আইসক্রিম তৈরির রেসিপি নিয়ে আসেন।

1878 খ্রিস্টাব্দের পরে, হিমায়ন পদ্ধতি আবিষ্কারের পর, আইসক্রিম তৈরির ব্যাপক উন্নতি হয়েছিল!

কুলফি বরফ বা মালাই বরফ বাংলাদেশে বহুকাল ধরেই প্রচলিত। কুলফি বরফের উপাদান হল রুধ বা দুধের দই (মালাই), চিনি এবং ফল বা লেবুর রস। কুলফি বরফ ছোট শঙ্কুযুক্ত টিনের পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। এই জাহাজের খোলা মুখ 12 ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্য 3 থেকে 5 ইঞ্চি। দুধের মিশ্রণে এই পাত্রটি ভর্তি করার পর এটি একটি টিনের ঢাকনা দিয়ে ভালভাবে বন্ধ করা হয়েছিল। যার জন্য কোন গর্ত নেই, ময়দা কোণার পাত্রের চারপাশে গড়িয়ে শুকানো হয়।

এই কুলফি বরফ ও লবণ পানিতে ডুবিয়ে হিমায়িত করা হয়। মালাইকে পুরোপুরি ঠাণ্ডা করার পর, জমে থাকা মালাইটি কৌণিক পান্না থেকে আলাদা করা হয়েছিল। বর্তমানে, কোণার কুলফি বরফ আধুনিক রেফ্রিজারেশন সরঞ্জামে ঠাণ্ডা করা হয়। এটি বরফের মতো শক্ত এবং আইসক্রিমের আকারের সাথে সামান্য সাদৃশ্য বহন করে।

আইসক্রিমের প্রকারভেদ

বিভিন্ন দ্রব্য সংযোগে বিভিন্ন প্রকার আইসক্রিম প্রস্তুত করা যাইতে পারে বিভিন্ন আইসক্রিমের উপাদান সংখ্যক ছকে দেওয়া হইল

ছক -১ : বিভিন্ন হিমায়িত দুগ্ধজাত দ্রব্য উহার উপাদান

নাম স্নেহ পদার্থ

(%)

স্নেহহীন দুগ্ধ কঠিন পদার্থ

(%)

চিনি

(%)

মোট কঠিন পদার্থ

(%)

মোট দুগ্ধ কঠিন পদার্থ

(%)

প্রতি গ্যালনে খাদ্যদ্রব্য

(পাউন্ডে)

বিশেষ আইসক্রিম ১২-১৬ ৭-১১ ১৩-১৬ ৩৯-৪১ ১৯-২৪ ১.৬
সাধারন আইসক্রিম ১০-১২ ১০-১১ ১৫-১৭ ৩৭-৩৯ ১৯-২৩ ১.৬
সুলভ আইসক্রিম ৮-১০ ১০-১২ ১৩-১৮ ৩৫-৩৭ ১৮-২২ ১.৬
শক্তকৃত আইসক্রিম ২-৪ ১১-১৪ ১৪ ৩১-৩২ ১১-১৭ ১.৩
নরম আইসমিল্ক ৪-৬ ১১-১২ ১৩-১৪ ২৯-৩০ ১৫-১৮ ১.৩
সারবেট ১.২ ১.৩ ২৬-৩৫ ২৮-৩৬ ২.-৫
মেলোরিন ৬-১০ ১০-১২ ১৫-১৮ ৩৫-৩৯ ১০-১২

আইসক্রিম :

সমস্ত হিমায়িত দুগ্ধজাত দ্রব্যের মধ্যে আইসক্রিমেই দুগ্ধ কঠিন পদার্থ(milk solids) থাকে-‘সাধারণত প্রধান উপাদান দুগ্ধ কঠিন পদার্থ, চিনি, স্থিতিকারক (stabilizer) এবং ঘ্রাণ প্রদানকারী দ্রব্য ( flavouring material)। এই উপাদানের ব্যাপক ভেদ্ (variation) প্রস্তুতকারকের নিজস্ব প্রণালীর উপর নির্ভর করে ৷ সাধারণত যখন কোন একটি উপাদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয় তখন অন্য একটি উপাদান কমাইয়া দেওয়া হয়।

হিমায়িত কাসটার্ভf rozen custard ), ফেস্ আইসক্রিম, এবং ফ্রেন্স কাসটার্ড আইসক্রিমের উপাদান সাধারণ আইসক্রিমের মতই, কেবল ইহাতে ১.৪ শতাংশ ডিম্বকুসুম কঠিন পদার্থ (egg yolk solids) থাকে।

সাধারণ আইসক্রিমে (plain icecream) মিশ্রণের ৫% ওজনের বেশী আস্বাদ উৎপাদক দ্রব্য ( flavouring ingredients ) যেমন ভ্যানিলা, কফি প্রভৃতি থাকে না। কিন্তু বিশেষ বিশেষ প্রকারের আইসক্রিমে এই সমস্ত দ্রব্য সংযোগ করিলে মোট দুগ্ধ স্নেহপদার্থ বা মোট দুগ্ধকঠিন পদার্থের পরিমাণ ২–৪ শতাংশ কমাইয়া দেওয়া হয় ।

বিভিন্ন ফল যেমন স্ট্রবেরী ( straw berry), রাসবেরী (raspberry), আম, কাঁঠাল প্রভৃতি যোগ করিয়া ঐ নামের আইসক্রিম প্রস্তুত করা হয়।

১৩০ গ্রাম (১ কাপ) আইসক্রিম আহার করিলে উহাতে প্রায় ৩.৫ হইতে ৪.৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এই পরিমাণ প্রোটিন প্রতিদিনের সুপারিশকৃত প্রোটিনের ১০% প্রয়োজন মিটায় ৷ এই পরিমাণ আইসক্রিমে ২৫০ ক্যালোরি শক্তি (energy ) থাকে এবং শরীরের দৈনিক ক্যালসিস্লাম প্রয়োজনের ১৫% ইহাতে পাওয়া যায় ।

আইস মিল্ক ( Ice milk) : আইস মিল্ক এবং আইসক্রিমের মধ্যে পার্থক্য এই যে, আইস নিকে স্নেহপদার্থ এবং মোট কঠিন পদার্থের পরিমাণ ২ হইতে ৭ শতাংশ থাকে। জনসাধারণের অধিক খাদ্যজনিত সমস্যা প্রতিরোধের জন্য নরম হিমায়িত দুগ্ধজাত দ্রব্য খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছে।

আমেরিকায় প্রস্তুত আইস মিল্কের ৫০% নরম টাটকা হিমায়িত দ্রব্য হিসাবে পরিবেশন করা হয় । নরম পরিবেশিত ( soft served) দ্রব্য প্রস্তুতে স্থিতিকারক এবং ইমালসিফারার (stabilizer and emulsifier) এরাগ গুগ- সম্পন্ন হইতে হইবে যাহাতে হিমায়িত দ্রব্য শুষ্ক, শক্ত, এবং সহজে গলে না এখন হয়। ইহাতে চিনির পরিমাণও কম প্রয়োজন যাহাতে সহজেই হিমায়িত করা যায় এবং স্নেহপদার্থের পরিমাণও কম দিতে হয় এবং অত্যুৎপাদন ( overrun ) কম হয় ।

আইস মিল্কে অত্যুৎপাদন সাধারণত ৩০-৬০% হয়, কিন্তু শক্তকৃত ( hardened ) আইসক্রিমের অত্যুৎপাদন ৮০-১০০% হইয়া থাকে।

মেলোরিন এবং কৃত্তিম হিমায়িত দ্রব্য ( Mellorine and imitation frozen dissert)করা হয়। ইহাতে মেলোরিনে আইসক্রিমের সমস্ত উপাদানই বর্তমান, কিন্তু ইহাতে দুগ্ধ স্নেহপদার্থের পরিবর্তে উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থ ব্যবহার ন্যূনতম ৬% স্নেহপদার্থ থাকে, সুতরাং আইস মিল্কের তুলনায় স্নেহপদার্থ ইহাতে বেশী থাকে। তবে সাধারণতঃ আইসক্রিমের চাইতে কম থাকে। মেলোরিনে অন্তত ২৭% প্রোটিন থাকে।

পথ্য নিয়ন্ত্রিত (dietatic) খাদ্যের জন্য এবং মধুমেহী রোগীর (diabetic) জন্য পথ্য নিয়ন্ত্রিত এবং মধুমেহী আইসক্রিম বা আইস মিল্ক কৃত্রিম মিষ্টি দিয়া প্রস্তুত করা হয়। এই আইসক্রিম এবং আইস মিল্কে যথাক্রমে ১০ এবং ২ শতাংশ দুগ্ধ স্নেহপদার্থ থাকিতে হইবে। এই সমস্ত দ্রব্যে চিনির সমপরিমাণ অন্যান্য খাদ্য কঠিন পদার্থ (food solids) হিমাংকমান্না এবং জলীয় অংশ নিয়ন্ত্রণের জন্য সংযোগ করিতে হয়।

এই উদ্দেশ্যে সাধারণত অরবিটোল ( sorbitol) এবং ম্যানিটোলের ( mannitol ) এক মিশ্রণ যোগ করা হয়। সরবিটোল এবং ম্যানিটোল খুব ধীরে ধীরে শরীরে পরি- পাক হয় এবং ইহাদের শক্তি উৎপাদন ক্ষমতাও অনেক কম (প্রতি গ্রামে ২-২.৮ ক্যালোরি)। কোন কোন সময় গ্লিসারিন সংযোগ করিয়া ইহাদের হিমাংক মাত্রা ইচ্ছানুরূপ নিম্ন করা হয়।

সারবেট (sherbet) : সারবেটের প্রধান বৈশিষ্ট্য এই যে, ইহা মিষ্টি এবং টক এবং ইহাতে নিম্ন পরিমাণ মোট দুগ্ধ কঠিন পদার্থ থাকে (সাধারণতঃ ৩–৫ শতাংশ)। ইহার মধ্যে ন্যূনতম ০.৩৫ শতাংশ ল্যাকটিক এসিড পরিমাণ যে কোন খাদ্যোপযোগী এসিড যোগ করা হয়। সাধারণতঃ সাইট্রিক এসিডই অধিকাংশ সময় ব্যবহার করা হয়, তবে টারটারিক ( tartaric), ম্যানিক (malic), অ্যাসকরবিক ( ascorbic ), ল্যাকটিক ( lactic ) এবং ফসফোরিক (phosphoric) এসিডও যোগ করা যাইতে পারে।

সারবেটে অত্যুৎপাদন খুবই কম (প্রায় ২৫-৪০ শতাংশ), সুতরাং প্রতি গ্যালনের ওজন আইসক্রিমের তুলনায় বেশী হয়। ইহাতে চিনির পরিমাণ বেশী থাকার জন্য ইহার গলনমন্ত্রী ( melting point ) খুব কম হয়, সুতরাং সারবেট একই তাপমাত্রায় আইসক্রিমের চাইতে নরম। প্রায় সব সারটেই শক্ত হিমায়িত অবস্থায় বিক্রয় হয় ।

বরফ: বরফের মধ্যে কোন দুগ্ধজাত দ্রব্য থাকে না। বাংলাদেশের সর্ব অধিক পরিমাণ বরফ তৈরী হইয়া থাকে। গ্রীষ্মকালে ছোট ছেলে-মেয়েদের নিকট ইহা খুবই প্রিয়। বরফ সাধারণতঃ ফেরী- ওয়ালারা ঘুরিয়া ঘুরিয়া বিক্রয় করিয়া থাকে। ইহার উপাদানে চিনি (৩০%). ফলের রস (২০%), ঘ্রাণ উৎপাদন দ্রব্য, রং এবং সামান্য স্থিতিকারক ( stabilizer) দেওয়া হয়।

কোন কোন সময় 0.8% সমপরিমাণ সাইট্রিক এসিড যোগ করা হয়। উচ্চমানের বরফে ৩০% অত্যুৎপাদন থাকে। বরফ বিভিন্ন দেশে আইসক্রিমের ন্যায়ই হিমায়িত করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে বরফের কোন নির্দিষ্ট মান নাই । সাধারণতঃ মিশ্রণ প্রস্তুত করার পর ছাঁচে (moldar form) তালিয়া একটি ছোট কাঠি দিয়া জমান হয়।

আইসক্রিমের উপাদান এবং উপকরণ (component ) : আইসক্রিম উপাদান বিভিন্ন উপকরণ হইতে সংগ্রহ করা যাইতে পারে এবং ইহাদের ব্যবহার উহার সহজলভ্যতা (availability), মুলা, কার্যকরী গুণাগুণ (functional property ) এবং উহার গুনগত মানের উপর নির্ভর করে। উচ্চমান সম্পন্ন হিমায়িত দুগ্ধজাত দ্রব্যের উৎপাদন ইহার কাঁচা মালের মানের উপর নির্ভর করে।

টাটকা দুধ হইতে বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করিলে উচ্চমানের হিমায়িত দ্রব্য পাওয়া যাইতে পারে, কিন্তু সুষ্ঠুভাবে প্রস্তুত এবং সংরক্ষিত ঘনীভূত দুগ্ধজাত দ্রব্য হইতেও উৎকৃষ্ট মানের হিমায়িত দুগ্ধজাত দ্রব্য প্রস্তুত হইতে পারে ।

স্নেহপদার্থ: উন্নত আস্বাদ, ( rich flavour ), গঠনরীতি ( smooth texture), আকৃতির প্রতিবন্ধ ( resistance of body ), রং (ভ্যানিলা ঘ্রাণ জাতীয় প্র:ব্য) এবং পুষ্টিমান স্নেহপদার্থের উপর নির্ভর করে । স্নেহপদার্থ হিমায়িত দ্রব্যে মসৃণতা ( smoothness ) প্রদান করে, কারণ ইহা প্রাকৃতিকভাবেই বরফ স্ফটিক ( ice crystal ) উৎপাদন প্রতিরোধ করে, এবং ইহা বায়ু কোষের তলে (surfaces of air cells ) ঘনীভূত হয়। স্নেহপদার্থের পরিমাণ বিভিন্ন হওয়ার জন্যই আইসক্রিম এবং আইস মিল্কের আস্বাদের অনেক পার্থক্য দেখা যায় ।

স্নেহপদার্থ কণিকা আকারে অবস্থান করে (স্নেহ কণা ), সুতরাং ইহার ঘনত্ব হিমাংক মাত্রায় কোন প্রভাব বিস্তার করে না। কিন্তু যখন স্নেহপদার্থের পরিবর্তে আইসক্রিম আকৃতির জন্য অন্য কোন কঠিন পদার্থ যথা, কৰ্ণ সিরাপ অলিভ (corn syrup solid ) যোগ করা হয়, তখন হিমাংক মাত্রা অনেক নিচে নামিয়া যায় ।

স্নেহকণা যদি দলা বা পিণ্ডের ( clump ) সৃষ্টি করে, তবে বায়ু কোষের আবরণ ( Jamiliae) দুর্বল হইয়া পড়ে, ফলে ফেনান্বিত হওয়ার ক্ষমতা কমিয়া যায় এবং অত্যুৎপাদন কম হয়। টাকা নদী হিমান্বিত ননী, ঘন ননী ( 80% স্নেহপদার্থ) মাখন, মাখনভৈজ, শুষ্ক স্নেহপদার্থ, ঘনীভূত পূর্ণ দুধ, শুল্ক পূর্ণ দুধ প্রভৃতি স্নেহপদার্থের প্রধান উৎস। মেডোরিন এবং কৃত্রিম আইসক্রিমের স্নেহপদার্থ সাধারণতঃ নারিকেল তৈল সোয়াবিন ও তুলাবীজ তৈলের মিশ্রণে হাইড্রোজেন সংযোগে (hydro- genated) যে ছবি প্রস্তুত করা হয় তাহা ব্যবহার করা হইয়া থাকে। যেহেতু সংশোধন প্রক্রিয়ায় ( refinement ) ভিটামিন ‘এ’ নষ্ট হইয়া যায়। মেলোরিনে ভাইটামিন ‘এ’ সংযোগের পরামর্শ দেওয়া হয় (প্রতি গ্রাম স্নেহদার্থে 80)।

দুইটি প্রধান প্রতিক্রিয়ায় স্নেহপদার্থ অবনমন হয় – যথা জলম্বিয় (hydrolysis ) এবং অক্সিডেসন বা জারণ প্রক্রিয়া (oxidation)। জল স্বরে ফলে ফ্যাটি এসিড মুক্ত হয় এবং দ্রব্যে চর্বিপচা (rancid ) আশ্বাদ প্রদান করে । অক্সিডেসন প্রতিক্রিয়ায় অপরিপৃক্ত ফ্যাটি এসিডে (unsaturated fatty acid) অক্সিজেন সংযোগে অ্যালডিহাইড (aldehyde) এবং কিটোনের ( ketone) সৃষ্টি করে এবং ইহা দ্রব্যে নানা রকম বিস্বাদের সৃষ্টি করে।

চর্বি পচা জনিত (rancidity ) আস্বাদ সাধারণতঃ প্রস্তুতের পূর্বেই সংঘটিত হয়। সুতরাং কাঁচামাল চয়ন ইহাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। অক্সিডেসন প্রতিক্রিয়া সাধারণতঃ প্রবা প্রস্তুতের সময় বা পরবর্তী- কালে সংঘটিত হয়। সুতরাং যে সমস্ত কারণ অক্সিডেসন প্রতিক্রিয়া প্রস্তাবিত করে উহা হইতে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। প্রস্তুতকৃত দ্রব্য বা কাঁচা- মাল তামার সংস্পর্শে না আসে, সূর্য আলো হইতে রক্ষা পায় এবং প্রস্তুতকৃত বা দ্রুত পরিবহন এবং বাজারিজাতকরণ হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখিতে হইবে জীবং দ্রব্য অগ্রথা যেন অক্সিজেনে উন্মুক্ত না হয় ।

স্নেহহীন দুগ্ধ কঠিন পদার্থ (nonfat milk solids ) : স্নেহহীন দুগ্ধ কঠিনগদার্থের প্রধান উপাদান ল্যাকটোজ, প্রোটিন এবং খনিজ পদার্থ । আইসক্রিমে ইহাদের একের সহিত অপরের ঘনত্বের অনুপাত দুধের অনুরূপ, কিন্তু কোন কোন প্রস্তুতকারক ভিন্ন অনুপাতে উপকরণ সংযোগ করিতে পারে, যেমন ছানার পানি কঠিন পদার্থ ( whey solids ), ল্যাকটোজ অপসারিত ছানার পানি কঠিন পদার্থ (delactosed whey solids ), অথবা পরিবর্তিত দুগ্ধ প্রোটিন (modified milk protein)। ল্যাকটোজ মিষ্টি স্বাদ প্রদান করে (এবং হিমাংক মান্না করাইয়া দেয় ।

অতিরিক্ত জ্যাক দুগ্ধজাত দ্রব্যে ইহা টিকিত হইতে পারে। এই ল্যাকটোজ স্ফটিক খুব ধীরে ধীরে দ্রবণীয় হয় বলিয়া দ্রব্য ভক্ষণের সময় মুখে বালির মত স্থাপ অনুভূত হয়। অতিরিক্ত ল্যাকটোজ ঘনত্ব ছাড়াও নিম্ন কারণে ল্যাকটোজ স্ফটিকিত হইতে পারে :- (১) অতিরিক্ত কর্ন সলিড (corn solids ). (২) সংরক্ষণ তাপমাত্রার উঠানামা ( fluctuation), এবং (৩) দীর্ঘ সংরক্ষণ কাল । সাধারণ তরস্থায় প্রতি পাউণ্ড স্নেহহীন কঠিন পদার্থে ৬ পাউণ্ডের বেশী পানি আইসক্রিম মিশ্রণ থাকিতে পারিবে না।

প্রোটিন আইস- ক্রিমের আস্বাদের উন্নতি করে, পুষ্টিগত মান বৃদ্ধি করে, ফেনায়িত প্রক্রিয়ায় ( whipping ) সাহায্য করে এবং পানি বন্ধন করে ( binds or absorbs water)। পানিবন্ধন প্রক্রিয়ার জন্যই আইসক্রিমের আকৃতি মসৃণ হয় এবং চর্বনমান (chewiness ) উন্নত হয় ৷

স্নেহহীন কঠিন পদার্থের প্রধান উৎস ঘনীভূত দুধ, ঘনীভূত টানা দুধ, এবং স্নেহহীন গুড়া দুধ। অবশ্য ননী, দুধ এবং অন্যান্য দ্রব্য যাহা ব্যবহার করা হয় উহাতেও স্নেহহীন কঠিন পদার্থ থাকে। প্রস্তুতের সময় প্রত্যেক উপকরণের উপাদান অবশ্যই জানিতে হইবে। শুষ্ক মাখন দুধও ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করিয়া মাখন বা মাখন তৈল যখন স্নেহপদার্থের উৎস তখন শুষ্কমাখন দুধ সুফল প্রদান করে। মাখন দুধে প্রচুর পরিমাণ লেসিথিন এবং প্রাকৃতিক ইমালসিফায়ার ( emulsifier) থাকে বলিয়া মাখনের স্নেহপদার্থ ইমালসিফিকেশনে ( emulsification সাহায্য করে।

মিষ্টি উৎপাদনকারী (sweeteners ) : সুক্রোজ (suerose ), অথবা নিট ( beet) অথবা আখের ( cane ) চিনি এতকাল মিষ্টি উৎপন্নকারী হিসাবে ব্যবহার করা হইতেছে। কিন্তু সম্প্রতি শ্বেতসারে (starch ) জলাবয়ন দ্রব্য ( product of hydrolysis ) যেমন (corn syrup solids) কর্ন সিরাপ কঠিন পদার্থ ব্যপকভাবে ব্যবহাত হইতেছে। ইহার প্রধান কারণ কর্ন সিরাপ কঠিন পদার্থ সুক্রোজের পরিবর্তে ইহা বেশ অধিক পরিমাণে ব্যবহার করা যায়, ফলে আইসক্রিমের আকৃতি এবং গঠনরীতির উন্নতি হয় ।

ইহার খরচও অপেক্ষাকৃত কম এবং ইহার ফলে সংরক্ষণ- কালও বৃদ্ধি করা যায়। কর্ন সিরাপ কঠিন পদার্থ ব্যবহারের প্রধান অসুবিধা এই যে, ইহা হিমাংক মাত্রা অতিরিক্ত নীচে নামায়, সিরাপ আস্বাদের করে ( syrup flavour), এবং সুক্ষ্য আস্বাদ (delicate flavour যেমন ভ্যানিলা আস্বাদ ঢাকিয়া রাখে। সর্বোচ্চ ২৫-৫০ শতাংশ কর্ন সিরাপ কঠিন পদার্থ সুক্রোজের পরিবর্তে মিষ্টতা বৃদ্ধি না করিয়া নিরাপদে ব্যবহার করা যাইতে পারে।

সারবেট এবং বরফে কর্ন সিরাপ কঠিন পদার্থ ব্যবহার সুপারিশ করা হয়, কেননা ইহা দ্রব্যের উপরের স্তরের সুক্রোজ স্ফটি করণ বন্ধ করে।

১৬.২ নম্বর ছকে বিভিন্ন মিষ্টি উৎপাদকের তুলনামূলক মান দেওয়া হইল । ডেক্সট্রোজ ইকুইভ্যালেন্ট (dextrose eqiuvalent) বিজারক চিনি ( reducing ) একটি পরিমাপ ( measure ) —ইহা দ্বারা শ্বেতসার জলায়ের পরিমাণ নির্ণয় করা যায় ৷ কিন্তু ইহা দ্বারা বিভিন্ন অণুর আয়তন ও বিস্তারণ (distribution of sizes of molecules) নির্ণয় করা যায় না। অণুর আয়তন ৬ কারবন বিশিষ্ট মোনোস্যাকারাইড (monosaccharide) ডেকস্ট্রোজ ( dextrose) ১২ কারবন বিশিষ্ট ডাইস্যাকারাইড ( disaccharide ) যেমন মলটোজ ( maltose) হইতে ট্রাই-(tri-) টেট্রা- (tetra) এবং বৃহৎ পোলিস্যাকারাইডস্ পর্যন্ত হইতে পারে।

প্রস্তুতকারকের জন্য প্রত্যেক দ্রব্যের তুলনামূলক মিষ্টতা খুবই প্রয়োজনীয়। উদাহরণস্বরূপ দেখা যায় ডেক্সট্রোজ (dextrose) সুক্রোজের তুলনায় মাত্র ৮০ শতাংশ মিষ্টি। সুতরাং তুলনামূলক একই মিষ্টতা গাইতে হইলে ১ পাউণ্ড সুকোজের পরিবর্তে ১.২৫ পাউণ্ড ডেস্ট্রোজ ব্যবহার করিতে হইবে। একমাত্র অধিকতর জলান্বয়কৃত ভুট্টা শ্বেতসার (highly hydro- lysed corn starch) হিমাংক মাত্রা সুক্রোজ অপেক্ষা অবনমন (depression) করে।

উদাহরণ : ১.৭ পাউণ্ড কর্ন সিরাপ যাহার ডেকস্ট্রোজ ইকুইভ্যালেট ৩২ (32DE), ১ পাউণ্ড সুক্রোজের সমতুল্য হিমাংক মাত্রা কমায়। একটা সুক্রোজ অণুর ওজন একটা ডেকস্ট্রোজ অণুর দ্বিগুণ, সুতরাং ডেস্ট্রোজ সুক্রোজের দ্বিগুন পরিমাণ হিমাংক মান্না অবনমন ( depression) করিবে।

( ছক পরে আপলোড হবে)

১। উচ্চ রূপান্তরিত ( high conversion) কর্ন সিরাপ

২। মধ্যম রূপান্তরিত ( intermediate conversion ) কর্ন সিরাপ

৩। স্বাভাবিক রূপান্তরিত (regular conversion) কর্ন সিরাপ

৪। নিম্ন রূপান্তরিত (low conversion) কর্ন সিরাপ।

মধুমেহী ( diabetic) আইসক্রিমের মিষ্টি উৎপাদনের জন্য স্যাকারিন ( saccharin ) ব্যবহার করা যাইতে পারে। প্রতি ১০০ পাউণ্ড মিশ্রণে মাত্র ১০ গ্রাম স্যাকারিন ১৫ শতাংশ সুক্রোজের সমতুল্য মিষ্টতা প্রদান করে। মোনো-অ্যামোনিয়াম গ্লিসিরিজিন (monoammonium glycirrhizin) স্যাকারিনের দ্বিগুণ পরিমাণ ঘনত্বে ব্যবহার করা যাইতে পারে। অতিরিক্ত স্নেহপদার্থ, এবং সরবিটোল বা ম্যানিটোল চিনি কঠিন পদার্থের পরিবর্তে মোট কঠিন পদার্থ ঠিক রাখার জন্য সংযোগ করিতে হইবে। স্থিতিকারক এবং ইমালসিফায়ার (stabilizer and imulsifier )

স্থিতিকারক একটি জলকর্মী ( hydrophilic ) কলায় (colloid ) বা ঘোলা প্রবণ। ইহা মিশ্রণের পানি শোষণ করিয়া ইহার ঘনত্ব কমাইয়া দেয়। পানি ফটিকিত করার জন্য খুব কম পানিই মুক্ত অবস্থায় থাকে, সুতরাং সূক্ষা স্ফটিক উৎপাদন এবং দ্রব্যের মসৃণতা ( smoothness) বৃদ্ধি করে। হিমাগার সংরক্ষণ কালে তাপমাত্রা উঠানামার ফলে যে ফটিক উৎপাদনের প্রবণতা থাকে ইতিকারকের উপস্থিতি তাহা প্রতিরোধ করে।

সাধারণ ব্যবহাত স্থিতিকারক কেল্প (kelp), মস ( moss ) এবং অ্যালজি (algae) হইতে নিষ্কাশন করা হয়, যেমন—অ্যালজিন (algin), ক্যারা- গিনিন (carrageenin ) আগর (agar), লোকাস্ট বিন ( locust bean ), লিপি (legume ), বড় গাছ এবং অন্যান্য উদ্ভিদ হইতে যেমন ক্যারোব ( carob ), ওয়ার (guar), ট্ৰাগাকানথ্ (tragacanth), অ্যারাবিক ( arabic ), এবং ক্যারায়য়া (karaya) গামস্ ( gums), ভুট্টার শীর্ষ হইতে যেমন কারবোঝি মিথাইল সেলুলোজ (carboxymethyl cellulose ), গবাদি পশুর চামড়া ও হাড় হইতে যেমন জেলাটিন ( gelatin) এবং সাইট্রাস ফল (citrus fruit ) হইতে যেমন পেকটিন (pectin)। উপরোক্ত স্থিতিকালকের কার্যকরী মান বিভিন্ন হইতে পারে যেমন প্রবণ তাপমাত্রা, আইসক্রিম মিশ্রণের বিভিন্ন প্রকরণের সহিত ও অন্যান্য স্থিতিকারকের সহিত প্রতিক্রিয়া প্রভৃতি।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায় জিলাটিন বরফ এবং সারবেট প্রস্তুতে অধিক ফেনার সৃষ্টি করে, কিন্তু পেকটিন বরফ এবং সারবেটের জন্য উৎকৃষ্ট স্থিতিকারক, কিন্তু ইহা আইসক্রিমের জন্য এককভাবে উপযোগী নয়। এলজিনেট একমত্র গরম মিশ্রণে ( ৭০° সে.) প্রবণীয় হয়, কিন্তু গুয়ার (guar) ঠান্ডা মিশ্রণেই দ্রবীভূত হয়। সর্বোচ্চ ০.৫% এক বা একাধিক স্থিতি কারকের মিশ্রণ আইসক্রিমে সংযোগ অনুমোদন করা হয়।

মাইক্রো ক্রিসটালাইন সেলুলোজ (microcrystalline cellulose ) হিমায়িত দ্রব্যে জেল আকৃতি (gel like structure) সৃষ্টি করে। ইহা হিমায়িত দ্রব্যে মসৃণতা (smoothness ) প্রদান করে, তাপ ভীতি ( heat shock) হইতে রক্ষা করে এবং আকৃতি ( body ) গঠন করে। নরম

ভূমিকা: 

আইসক্রিম একটি হিমায়িত ডেজার্ট যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সব বয়সের মানুষ উপভোগ করে আসছে। এটি একটি ক্রিমি, সুস্বাদু ট্রিট যা বিভিন্ন স্বাদে আসে এবং বিভিন্ন উপায়ে উপভোগ করা যায়। ক্লাসিক ভ্যানিলা থেকে শুরু করে বিদেশী ফলের স্বাদ পর্যন্ত, প্রত্যেকের জন্য একটি আইসক্রিমের স্বাদ রয়েছে। এই নিবন্ধে, আমরা আইসক্রিমের বিশ্ব, এর ইতিহাস এবং তৈরির প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে জনপ্রিয় স্বাদ এবং আঞ্চলিক বৈচিত্রগুলি অন্বেষণ করব। 

আইসক্রিমের ইতিহাস: 

আইসক্রিমের ইতিহাস প্রাচীন চীন এবং পারস্যে ফিরে পাওয়া যায়, যেখানে তারা হিমায়িত খাবার তৈরি করতে ফল এবং মধুর সাথে বরফ বা তুষার মিশিয়ে ব্যবহার করত। যাইহোক, 17 শতকের আগ পর্যন্ত আইসক্রিম যেমনটি আমরা জানি তা ইউরোপে জনপ্রিয়তা লাভ করতে শুরু করে। আইসক্রিম উচ্চ শ্রেণীর দ্বারা উপভোগ করা একটি বিলাসবহুল ডেজার্টে পরিণত হয়েছিল এবং এটি 18 শতকের আগ পর্যন্ত সাধারণ জনগণের কাছে আরও অ্যাক্সেসযোগ্য হয়ে ওঠেনি। 

ঘরে বসে আইসক্রিম তৈরি করুন: 

বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করা বাচ্চাদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের উভয়ের জন্য একটি মজাদার এবং ফলপ্রসূ কার্যকলাপ হতে পারে। এটি আপনাকে আপনার নিজস্ব অনন্য আইসক্রিম সৃষ্টি তৈরি করতে বিভিন্ন স্বাদ এবং উপাদান নিয়ে পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়। বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করার প্রাথমিক পদক্ষেপগুলি এখানে রয়েছে: 

আইসক্রিম তৈরির উপকরণ: 

ভারী ক্রিম 

সম্পূর্ন দুধ 

চিনি 

ভ্যানিলা নির্যাস 

স্বাদযুক্ত নির্যাস বা ফল (ঐচ্ছিক) 

আইসক্রিম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম: 

মালাই প্রস্তুতকারক 

মিক্সিং বাটি 

হুইস্ক বা বৈদ্যুতিক মিশুক 

কড়া 

আইসক্রিম সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজার-নিরাপদ পাত্র 

বাড়িতে আইসক্রিম তৈরির ধাপ: 

  1. একটি সসপ্যানে, মাঝারি আঁচে ভারী ক্রিম, পুরো দুধ এবং চিনি একত্রিত করুন। 
  2. চিনি দ্রবীভূত করার জন্য ক্রমাগত নাড়তে নাড়তে যতক্ষণ না এটি একটি আঁচে পৌঁছায় ততক্ষণ মিশ্রণটি গরম করুন। 
  3. তাপ থেকে সসপ্যানটি সরান এবং মিশ্রণটিকে ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। 
  4. একবার ঠাণ্ডা হলে, ভ্যানিলা নির্যাস বা আপনার পছন্দের অন্য কোনো স্বাদযুক্ত নির্যাস বা ফল দিয়ে নাড়ুন। 
  5. একটি আইসক্রিম প্রস্তুতকারকের মধ্যে মিশ্রণ ঢালা এবং প্রস্তুতকারকের নির্দেশ অনুসারে মন্থন করুন। 
  6. মন্থন করা আইসক্রিমটিকে একটি ফ্রিজার-নিরাপদ পাত্রে স্থানান্তর করুন এবং কমপক্ষে 4-6 ঘন্টা বা শক্ত না হওয়া পর্যন্ত ফ্রিজে রাখুন। 
  7. আপনার বাড়িতে তৈরি আইসক্রিম উপভোগ করুন! 

জনপ্রিয় আইসক্রিম স্বাদ: 

আইসক্রিম বিভিন্ন ধরণের স্বাদে আসে, ক্লাসিক থেকে অনন্য এবং বহিরাগত। এখানে কিছু জনপ্রিয় আইসক্রিমের স্বাদ রয়েছে যা অনেকের কাছে প্রিয়: 

চকলেট আইসক্রীম: 

চকোলেট আইসক্রিম একটি নিরবধি ক্লাসিক এবং চকোলেট প্রেমীদের মধ্যে একটি প্রিয়। এটি সমৃদ্ধ, ক্রিমযুক্ত এবং আনন্দদায়ক, একটি সুস্বাদু চকোলেট স্বাদের সাথে যা নিজে থেকে উপভোগ করা যেতে পারে বা বাদাম, কুকিজ বা ক্যান্ডির মতো অন্যান্য মিক্স-ইনগুলির সাথে যুক্ত করা যেতে পারে। চকোলেট আইসক্রিম একটি বহুমুখী স্বাদ যা অন্যান্য চকোলেট-ভিত্তিক ডেজার্ট যেমন সানডেস, মিল্কশেক এবং আইসক্রিম কেক তৈরির জন্য একটি ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। 

ছবি সহ আইসক্রিম: 

ছবি সহ আইসক্রিম, যা অভিনব আইসক্রিম নামেও পরিচিত, আইসক্রিম উপভোগ করার একটি মজাদার এবং সৃজনশীল উপায়। এটি সাধারণত আইসক্রিমের পৃষ্ঠে রঙিন চিত্র বা নকশাগুলি বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে, যা শিশুদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একইভাবে মজা এবং উত্তেজনার একটি অতিরিক্ত উপাদান যোগ করে। এই ছবিগুলি ভোজ্য কালি ব্যবহার করে তৈরি করা হয় এবং সাধারণত আইসক্রিমের উপরে রাখা ফন্ড্যান্ট বা চকোলেটের পাতলা স্তরে মুদ্রিত হয়।

ছবি সহ আইসক্রিম প্রায়শই জন্মদিন, ছুটির দিন বা ইভেন্টের মতো বিশেষ অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত থাকে এবং এটি একটি অনন্য এবং দৃশ্যত আকর্ষণীয় ট্রিট যা আইসক্রিমের অভিজ্ঞতায় সৃজনশীলতার ছোঁয়া যোগ করে। 

বরফ ছাড়া আইসক্রিম: 

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, বরফ ছাড়া আইসক্রিমের একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা “নো-চর্ন” আইসক্রিম নামেও পরিচিত৷ এই ধরনের আইসক্রিমের জন্য আইসক্রিম প্রস্তুতকারক বা কোনো বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন হয় না, এটি তাদের জন্য একটি সুবিধাজনক এবং সহজ বিকল্প তৈরি করে যাদের আইসক্রিম প্রস্তুতকারকের অ্যাক্সেস নেই বা একটি সহজ পদ্ধতি পছন্দ করে। নো-চর্ন আইসক্রিম সাধারণত হুইপড ক্রিম এবং মিষ্টি কনডেন্সড মিল্কের বেস ব্যবহার করে, যা পরে বিভিন্ন নির্যাস, ফল বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে স্বাদযুক্ত হয়।

এটি একটি মেশিনের প্রয়োজন ছাড়াই ঘরে তৈরি আইসক্রিম তৈরির জন্য একটি দুর্দান্ত বিকল্প এবং এটি ঐতিহ্যগত মন্থন করা আইসক্রিমের মতোই ক্রিমযুক্ত এবং সুস্বাদু হতে পারে। 

আইসক্রিম খাইতেছি: 

আইসক্রিম খাওয়া একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা যা বিভিন্ন উপায়ে উপভোগ করা যায়। এটি একটি ক্লাসিক শঙ্কু, একটি কাপ, বা একটি সানডে বা মিল্কশেকের অংশ হিসাবেই হোক না কেন, এই হিমায়িত খাবারের স্বাদ নেওয়ার অফুরন্ত উপায় রয়েছে। কিছু লোক তাদের আইসক্রিম ধীরে ধীরে খেতে পছন্দ করে, প্রতিটি চামচের স্বাদ গ্রহণ করে এবং এটি তাদের মুখে গলতে দেয়, অন্যরা ডানদিকে ডুব দিতে এবং দ্রুত এটি উপভোগ করতে পছন্দ করে।

আইসক্রিম প্রায়শই বিশেষ অনুষ্ঠান, উদযাপন এবং গ্রীষ্মকালীন খাবারের সাথে যুক্ত থাকে, তবে এটি একটি আরামদায়ক খাবারও n সারা বছর উপভোগ করা। এটি একটি বহুমুখী এবং প্রিয় ডেজার্ট যা সব বয়সের মানুষের জন্য আনন্দ নিয়ে আসে। 

আইসক্রিম উত্পাদন প্রক্রিয়া: 

বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করা একটি মজাদার এবং ফলপ্রসূ অভিজ্ঞতা হতে পারে, আমরা যে আইসক্রিমটি দোকান থেকে কিনে থাকি বা আইসক্রিম পার্লারে উপভোগ করি তা সাধারণত আইসক্রিম কারখানায় বড় পরিসরে তৈরি হয়। আইসক্রিম তৈরির প্রক্রিয়ায় উপাদান তৈরি, মিশ্রণ, পাস্তুরাইজেশন, সমজাতীয়করণ, বার্ধক্য, হিমায়িতকরণ এবং প্যাকেজিং সহ বেশ কয়েকটি ধাপ জড়িত। এখানে আইসক্রিম উত্পাদন প্রক্রিয়ার একটি সংক্ষিপ্ত ওভারভিউ: 

আইসক্রিম কারখানার কার্যক্রম: 

  1. উপাদান প্রস্তুত: উপাদান, যেমন দুধ, ক্রিম, চিনি, এবং স্বাদ, পরিমাপ করা হয় এবং রেসিপি অনুযায়ী মিশ্রিত করা হয়। 
  2. মিশ্রণ: উপাদানগুলি বড় ট্যাঙ্কে একত্রিত করা হয় এবং আইসক্রিম বেস গঠনের জন্য একত্রে মিশ্রিত করা হয়। 
  3. পাস্তুরাইজেশন: আইসক্রিম বেস একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গরম করা হয় যাতে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলা হয় এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। 
  4. সমজাতীয়করণ: আইসক্রিম বেস তারপরে একটি হোমোজেনাইজারের মাধ্যমে পাস করা হয়, যা একটি মসৃণ টেক্সচার তৈরি করতে চর্বি অণুগুলিকে ভেঙে দেয়। 
  5. বার্ধক্য: আইসক্রিম বেস এর স্বাদ এবং টেক্সচার বিকাশের জন্য কয়েক ঘন্টা বয়সের অনুমতি দেওয়া হয়। 
  6. হিমায়িত করা: আইসক্রিম বেস বিশেষ আইসক্রিম মেশিন ব্যবহার করে হিমায়িত করা হয় যা মিশ্রণটি মন্থন করে এবং এটিকে একই সাথে হিমায়িত করে একটি ক্রিমি এবং মসৃণ সামঞ্জস্য তৈরি করে। 
  7. প্যাকেজিং: একবার আইসক্রিম হিমায়িত হয়ে গেলে, এটি পাত্রে প্যাকেজ করা হয় এবং এটি দোকানে বিতরণ বা আইসক্রিম পার্লারে পরিবেশন করার জন্য প্রস্তুত। 

আইসক্রিম উৎপাদনে মান নিয়ন্ত্রণ: 

উত্পাদিত আইসক্রিম নিরাপদ, সুস্বাদু এবং কাঙ্খিত মান পূরণ করে তা নিশ্চিত করার জন্য গুণমান নিয়ন্ত্রণ আইসক্রিম উত্পাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এর মধ্যে উপাদানগুলির পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষা, পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া, সমজাতীয়করণ, হিমায়িত তাপমাত্রা এবং প্যাকেজিং অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আইসক্রিম নির্মাতারা আইসক্রিমের স্বাদ, টেক্সচার এবং চেহারা মূল্যায়ন করার জন্য সংবেদনশীল মূল্যায়নও পরিচালনা করে।

উপরন্তু, আইসক্রিম উৎপাদন পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য কঠোর স্বাস্থ্যবিধি এবং স্যানিটেশন অনুশীলন অনুসরণ করা হয়। চূড়ান্ত পণ্যটি উচ্চ মানের এবং ভোক্তাদের প্রত্যাশা পূরণ করে তা নিশ্চিত করার জন্য আইসক্রিম উত্পাদন প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে গুণমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হয়। 

ইংরেজি থেকে বাংলা আইসক্রিম: 

আইসক্রিমের জনপ্রিয়তা সীমানা এবং সংস্কৃতিকে অতিক্রম করেছে এবং এটি বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশে একটি প্রিয় খাবার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে, আইসক্রিম দেশের সরকারী ভাষা বাংলায় “আইসক্রিম” (“আইসক্রিম” হিসাবে উচ্চারিত) নামে পরিচিত। আইসক্রিম বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ডেজার্ট, বিশেষ করে গরমের মাসগুলিতে, এবং এটি ঐতিহ্যগত পছন্দ থেকে শুরু করে আধুনিক উদ্ভাবন পর্যন্ত বিভিন্ন স্বাদে এবং আকারে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে আইসক্রিম সব বয়সের লোকেরা উপভোগ করে এবং প্রায়শই বিশেষ অনুষ্ঠান, সমাবেশ এবং অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়। 

চকলেট আইসক্রীম: 

আইসক্রিমের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্লেভারের একটি হল চকোলেট। চকোলেট আইসক্রিম হল একটি সমৃদ্ধ এবং ক্রিমি ট্রিট যা অনেকেরই পছন্দের স্বাদ এবং মসৃণ টেক্সচারের জন্য। এটি কোকো পাউডার, গলিত চকোলেট বা উভয়ের সংমিশ্রণ ব্যবহার করে তৈরি করা যেতে পারে এবং এটি অতিরিক্ত মিক্স-ইনগুলির সাথে কাস্টমাইজ করা যেতে পারে যেমন চকোলেট চিপস, চকোলেট খণ্ড, বা বাড়তি সমৃদ্ধি এবং অবক্ষয়ের জন্য ফাজ ঘূর্ণায়মান।

চকোলেট আইসক্রিম নিজে থেকে, শঙ্কুতে, সানডে অংশ হিসাবে বা মিল্কশেকে উপভোগ করা যেতে পারে। এর সুস্বাদু স্বাদ এবং মখমলের টেক্সচার আইসক্রিম প্রেমীদের মধ্যে এটিকে বহুবর্ষজীবী করে তোলে। 

আইস পপস: 

আইস পপস, যা পপসিকলস নামেও পরিচিত, একটি জনপ্রিয় হিমায়িত খাবার যা সহজে পরিচালনার জন্য একটি কাঠি দিয়ে ছাঁচে ফলের রস বা স্বাদযুক্ত জলের মতো স্বাদযুক্ত তরল হিমায়িত করে তৈরি করা হয়। আইস পপগুলি বিভিন্ন ধরণের স্বাদ, রঙ এবং আকারে আসে এবং এগুলি একটি লাঠিতে হিমায়িত ট্রিট উপভোগ করার একটি মজাদার এবং সতেজ উপায়। এগুলি গ্রীষ্মের মাসগুলিতে বিশেষভাবে জনপ্রিয় এবং প্রায়শই বাচ্চাদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের দ্বারা একইভাবে উপভোগ করা হয়।

আইস পপগুলি ছাঁচ এবং সাধারণ উপাদানগুলি ব্যবহার করে বাড়িতে তৈরি করা সহজ, এটি সব বয়সের আইসক্রিম প্রেমীদের জন্য একটি মজাদার DIY প্রকল্প তৈরি করে৷ 

FAQs: 

প্রশ্ন: ভ্যানিলা এবং চকোলেট ছাড়াও কিছু জনপ্রিয় আইসক্রিমের স্বাদ কী কী? 

উত্তর: স্ট্রবেরি, মিন্ট চকোলেট চিপ, কুকিজ এবং ক্রিম, রকি রোড এবং মাখন পেকান সহ অসংখ্য আইসক্রিম স্বাদ পাওয়া যায়। 

প্রশ্ন: আমি কি আইসক্রিম মেকার ছাড়া বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করতে পারি? 

উত্তর: হ্যাঁ, আপনি নো-চর্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে আইসক্রিম মেকার ছাড়াই বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করতে পারেন যাতে হুইপড ক্রিম এবং মিষ্টি কনডেন্সড মিল্ক অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

প্রশ্ন: আইস পপ এবং পপসিকল কি একই জিনিস? 

উত্তর: হ্যাঁ, বরফের পপ এবং পপসিকেলগুলিকে একটি কাঠি দিয়ে ছাঁচে গন্ধযুক্ত তরল হিমায়িত করে হিমায়িত খাবারের জন্য ব্যবহার করা হয়। 

প্রশ্নঃ আইসক্রিম মেকারে আইসক্রিম বানাতে কতক্ষণ লাগে? 

উত্তর: একটি আইসক্রিম মেকারে আইসক্রিম তৈরি করতে যে সময় লাগে তা নির্ভর করে রেসিপি এবং আপনার আইসক্রিম মেকারের ধরনের উপর। আইসক্রিম মিশ্রণটি হিমায়িত হতে এবং পছন্দসই ধারাবাহিকতায় পৌঁছাতে সাধারণত 20-30 মিনিট সময় লাগে। 

প্রশ্ন: আইসক্রিমের জন্য কিছু জনপ্রিয় মিক্স-ইনগুলি কী কী? 

উত্তর: আইসক্রিমের জন্য জনপ্রিয় মিক্স-ইনগুলির মধ্যে রয়েছে চকলেট চিপস, বাদাম, কুকির ময়দা, ক্যান্ডির টুকরো, ফলের ঘূর্ণায়মান এবং ক্যারামেল ফিতা। 

প্রশ্ন: গর্ভাবস্থায় আইসক্রিম খাওয়া কি নিরাপদ? 

উত্তর: গর্ভাবস্থায় আইসক্রিম খাওয়া সাধারণত নিরাপদ, তবে খাদ্যজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি এড়াতে এটি পাস্তুরিত ডিম এবং দুগ্ধজাত খাবার দিয়ে তৈরি করা হয়েছে তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। 

প্রশ্ন: আমি কি ফ্রিজারে অবশিষ্ট আইসক্রিম সংরক্ষণ করতে পারি? 

উত্তর: হ্যাঁ, অবশিষ্ট আইসক্রিম ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য ফ্রিজারে একটি বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। যাইহোক, সর্বোত্তম স্বাদ এবং টেক্সচার নিশ্চিত করতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি গ্রহণ করা ভাল। 

প্রশ্ন: আমি কি বাড়িতে দুগ্ধ-মুক্ত আইসক্রিম তৈরি করতে পারি? 

উত্তর: হ্যাঁ, আপনি বাদাম দুধ, নারকেল দুধ, বা কাজু দুধের মতো বিকল্প দুধ ব্যবহার করে বাড়িতে দুগ্ধ-মুক্ত আইসক্রিম তৈরি করতে পারেন, অন্যান্য স্বাদ এবং মিষ্টির সাথে। 

প্রশ্ন: আমি কি শরবত বা হিমায়িত দই তৈরি করতে আইসক্রিম প্রস্তুতকারক ব্যবহার করতে পারি? 

উত্তর: হ্যাঁ, একটি আইসক্রিম প্রস্তুতকারকও যথাক্রমে দুগ্ধজাত খাবারের পরিবর্তে ফলের রস বা দই ব্যবহার করার রেসিপি সামঞ্জস্য করে শরবত বা হিমায়িত দই তৈরি করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। 

প্রশ্ন: এমন কোন অনন্য আইসক্রিমের স্বাদ বা সংমিশ্রণ আছে যা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে? 

উত্তর: হ্যাঁ, আইসক্রিমের জগত ক্রমাগত নতুন এবং সৃজনশীল স্বাদ এবং সংমিশ্রণে বিকশিত হচ্ছে, যেমন ল্যাভেন্ডার মধু, বালসামিক ভিনেগার, এমনকি অ্যাভোকাডো, যা দুঃসাহসিক আইসক্রিম প্রেমীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। 

উপসংহার: 

আইসক্রিম একটি প্রিয় হিমায়িত ট্রিট যা সারা বিশ্বের মানুষের হৃদয় এবং স্বাদ কুঁড়ি কেড়ে নিয়েছে। ক্লাসিক ভ্যানিলা এবং চকোলেট ফ্লেভার থেকে শুরু করে সৃজনশীল সংমিশ্রণ এবং অনন্য বৈচিত্র, আইসক্রিম প্রত্যেকের উপভোগ করার জন্য বিস্তৃত বিকল্পের অফার করে। বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করা হোক না কেন, চকোলেট আইসক্রিমে লিপ্ত হওয়া, ছবি সহ আইসক্রিম উপভোগ করা, বা আইস পপসের মতো বিভিন্ন আকারে আইসক্রিম উপভোগ করা, সম্ভাবনাগুলি অফুরন্ত।

কারখানায় আইসক্রিম তৈরির প্রক্রিয়ায় উপাদান তৈরি, মিশ্রণ, পাস্তুরাইজেশন, সমজাতীয়করণ, বার্ধক্য, হিমায়িতকরণ এবং প্যাকেজিং সহ বেশ কয়েকটি ধাপ জড়িত, যেখানে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। আইসক্রিম বাংলাদেশেও উপভোগ করা হয়, নিজস্ব অনন্য স্বাদ এবং বৈচিত্র্যের সাথে। সুতরাং, আপনার প্রিয় আইসক্রিমের একটি স্কুপ নিন, এবং এই আনন্দদায়ক হিমায়িত ডেজার্টের সাথে নিজেকে ব্যবহার করুন! 

উপসংহারে, আইসক্রিম হল একটি আনন্দদায়ক হিমায়িত ট্রিট যা বিভিন্ন স্বাদ, ফর্ম এবং সংমিশ্রণে আসে, যা প্রত্যেকের উপভোগ করার জন্য কিছু অফার করে। বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করা হোক, চকোলেট আইসক্রিমের স্বাদ নেওয়া হোক, ছবি সহ আইসক্রিম খাওয়া হোক বা অনন্য স্বাদের চেষ্টা করা হোক, আইসক্রিম বিশ্বব্যাপী একটি প্রিয় ডেজার্ট হয়ে চলেছে৷

কারখানায় আইসক্রিম উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বেশ কয়েকটি পর্যায় জড়িত থাকে, নিরাপত্তা ও গুণমান নিশ্চিত করতে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সহ। বাংলাদেশে, আইসক্রিমের নিজস্ব অনন্য স্বাদ এবং বৈচিত্র রয়েছে, যা বৈশ্বিক আইসক্রিম সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে। সুতরাং, আপনার প্রিয় আইসক্রিমের একটি স্কুপ নিন, এবং আইসক্রিম যে মিষ্টি, ক্রিমি ভালত্বের স্বাদ নিন! 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *